সায়ন্তিকার সেদিনের ঘটনা নিয়ে পুরো বিষয় খুলে বললেন জায়েদ খান

প্রকাশিত: 6:24 PM, September 16, 2023

সায়ন্তিকার সেদিনের ঘটনা নিয়ে পুরো বিষয় খুলে বললেন জায়েদ খান

বিনোদন ডেস্ক:

চিত্রনায়ক জায়েদ খানের সঙ্গে ‘ছায়াবাজ’ নামে একটি সিনেমার শুটিং করতে গত ৩০ আগস্ট কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন সায়ন্তিকা ব্যানার্জি। কথা ছিল ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুটিং করার। কিন্তু তিনি সেটি না করে ৭ সেপ্টেম্বর চলে যান। আকস্মিকভাবেই শোনা যায় সায়ন্তিকা শুটিং শেষ না করেই কলকাতা চলে গেছেন। কিন্তু এ কথার যথার্থতা খুঁজে পাওয়া না গেলেও সমস্যা যে কিছু একটা হয়েছে, সেটা নিশ্চিত হওয়া গেছে। কলকাতার এক সংবাদমাধ্যমে সায়ন্তিকা নৃত্য পরিচালক মাইকেল বাবুর সঙ্গে দোষারোপ করলেন প্রযোজককে।

আর সিনেমাটিতে জায়েদ খান যেহেতু অভিনয় করছেন, আলোচনার মধ্যে তিনিও থাকছেন। শুধু তাই নয়, হোটেল রুমে একান্তে সময় কাটানোর বিষয়েও কথা উঠেছে। তবে জায়েদ খান এসবকে ষড়যন্ত্রমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে দাবি করলেন।

শনিবার দুপুরে এক সংবাদমাধ্যমকে জায়েদ খান বলেন, ‘সায়ন্তিকা কোথাও বলেনি যে মাইকেল হাত ধরায় তার আপত্তি। সে কিন্তু শুটিং শেষ করে চলে গেছে। আজ সে কলকাতার পত্রিকায় ক্লিয়ার করেছে মূল সমস্যাটা কোথায়। এখানে অন্য কোনো ব্যাপার নেই।

‘মাঝখান থেকে কেউ কেউ ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করার চেষ্টা করছে, আমাকে খারাপ বানানোর চেষ্টা করছে। আপনিই বলুন, সায়ন্তিকা কোথায় বলেছে যে মাইকেল কাজ করলে সে কাজ করবে না? হয়তো স্পটে রেগে বলতেও পারে, অফিশিয়ালি তো কোথাও বলেনি, মাইকেলের সঙ্গেই কাজ শেষ করে সে কলকাতায় গেছে।’

আরও পড়ুন : ‘অনাকাঙ্ক্ষিত স্পর্শ’ করায় শুটিং ছেড়ে কলকাতায় চলে গেছেন জায়েদের নায়িকা সায়ন্তিকা

এদিকে হাত ধরা ঘটনা প্রসঙ্গে নৃত্য পরিচালক মাইকেল বাবু শনিবার দুপুরে ওই সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে নায়িকার ভালো সম্পর্ক ছিল। এসেই আমাকে দাদাভাই বলেও সম্বোধন করছিল। প্রথম একটা গান ভালোভাবেই শেষ করেছি। কিন্তু দ্বিতীয় গানের ক্ষেত্রে আমি দুপুর ২ টা ১৫ মিনিটে পোশাক পরিবর্তন ও লাঞ্চ ব্রেক হিসেবে এক ঘণ্টা সময় দিলেও জায়েদ খান ও সায়ন্তিকা শুটিং স্পটে উপস্থিত হন সন্ধ্যার পরে, যখন সূর্য ডুবে গেছে। ডে লাইট ছাড়াই ওই শুট হবে না। আমাকে প্রযোজক বিষয়টি কথা শোনান।’

নৃত্য পরিচালক আরও বলেন, ‘বাধ্য হয়ে পরেরদিন শুটিং করি। শুটিং শেষ হয়। ওই গান করার সময়, আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু সায়ন্তিকার হাত চিহ্নিত স্থানে যাচ্ছে না। পরে আমি জায়েদ ভাইকে বললাম, জায়েদ ভাই বললো দেখায় দাও। আমি দেখাতেই তার হাতে স্পর্শ লাগে। তখন সায়ন্তিকা বলেন, তুমি আমার হাত ধরছ পারমিশন নিয়েছো? আমি বললাম, দুদিন ধরে তো এভাবে কাজ করলাম। হাতে হাত লেগেছে। আমরা যেহেতু কাজ করি, হাত ধরতে হয়। তিনি আর কাজ করবেন না। পরিচালক ও প্রযোজক আমার ভুল ধরতে পারেননি।’

তবে এই দেরি হওয়ার নেপথ্যে প্রযোজক মনিরুলকে দায়ী করলেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘কস্টিউমের সমস্যা রয়েছে। লেদারের কিছু ড্রেস প্রয়োজন। যা যা প্রয়োজন সব জানানো হয়েছে প্রযোজককে। ড্রেস পরিবর্তন করতে গিয়ে যদি ড্রেস না পাওয়া যায় এবং তার বিকল্প কি হতে পারে এসব ঠিক করবে কে? মূলত ড্রেস না থাকায় যে দেরির কথা বলা হয়েছে, তা হয়েছে। এটাকে ইস্যু করার কিছুই নেই। এটাকে একটি চক্র অন্যদিকে ঘটনার মোড় নেয়ার চেষ্টা করছে। আমার চরিত্র নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলে কালিমা লেপনের চেষ্টা করছে কয়েকজন, যাদের আমি চিনি।

R/N

আমাদের তথ্যচিত্র গান কবিতা নাটক ভালো লাগলে ফেসবুকে শেয়ার করুন।
0Shares