সিলেট [english_date] | [bangla_date] | [hijri_date]
প্রকাশিত: 8:56 PM, December 18, 2023
অর্থনীতি ডেস্ক:
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নয়াদিল্লির নিষেধাজ্ঞার পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গের স্থলবন্দরগুলোতে আটকা পড়ে পেঁয়াজবোঝাই অন্তত ১০০টি কার্গো ট্রাক। প্রতিবেশী বাংলাদেশে ঢুকতে না দেয়ার এসব কার্গো ট্রাকে থাকা প্রায় তিন হাজার টন পেঁয়াজ দ্রুত পচে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। চলতি মাসের শুরুর দিকে হঠাৎ এমন নিষেধাজ্ঞা দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। এতে নিত্যপণ্যটির লাগামহীন দামে বেকায়দায় পড়ে বাংলাদেশি মানুষ সেই সঙ্গে যথাযথ দাম পেতে বঞ্চিত হয় ভারতীয় কৃষককেরা। এমন হটকারী সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য।
দেশটির সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরে বাংলাদেশ-ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে পেয়াঁজ বোঝাই অন্তত ৩০টি কার্গো ট্রাক। প্রতিটি ট্রাকেই রয়েছে হাজার বস্তা পেঁয়াজ।
কেন্দ্রীয় সরকারের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার কারণে গত ৭ ডিসেম্বর থেকে পেঁয়াজবোঝাই ট্রাকগুলো আটকে রয়েছে ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরে। এগুলোতে থাকা প্রায় ৪৫০ টন পেঁয়াজ পচে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এ অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকগুলো থেকে কিছু পেঁয়াজ নামিয়ে স্থানীয় খোলাবাজারে কম মূল্যে বিক্রির চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। দিন যত যাবে পচন ততই তীব্রতর হবে, বাড়বে ক্ষতির পরিমাণ। তাই লোকসান কমিয়ে নিতে নামমাত্র দামে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, এই চিত্র শুধু ঘোজাডাঙ্গায় নয়, গোটা পশ্চিমবঙ্গে একই পরিস্থিতি। রাজ্যের স্থলবন্দরগুলোতে আনুমানিক তিন হাজার টন পেঁয়াজ আটকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা। তবে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে রাজি নন ঘোজাডাঙ্গা আমদানি-রপ্তানি সংস্থার কর্মকর্তারা। তারা জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রাখা হয়েছে।
পাঞ্জাবের বাসিন্দা ও মহারাষ্ট্রের ট্রাকচালক সুকদেব সিং জানান তিনি ৭ ডিসেম্বর থেকে সীমান্তে আটকে রয়েছেন। সব পেঁয়াজ পচে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এখন বাংলাদেশে পেঁয়াজ যাবে না। পেঁয়াজবোঝাই আরেকটি ট্রাকের চালক অতনু ঘাঁ বলেন, আমি পাঁচদিন ধরে ট্রাক নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছি। বাংলাদেশে কোনো পেঁয়াজ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। এখন সব মাল গোডাউনে ফেরত নিয়ে যেতে হবে।
পেঁয়াজ রপ্তানিকারী স্বদেশ মণ্ডল বলেন, ভারতে নিত্যপণ্যটির দাম সহনীয় মাত্রায় নামিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। এ কারণে সীমান্তে পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক আটকে যায়। এতে বিপুল পরিমাণে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। শিগগিরই বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা না করা গেলে ৯০ শতাংশ পেঁয়াজই পচে যাবে।
R/N
Administrative Contact:
Name: Fatama Akter Shiuly
Address: Sheikhghat Sylhet.
Postal Code: 3100
Email: siuliakter571@gmail.com
Phone: 880 1760275449
প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী
Users Today : 25
Users Yesterday : 12
Users Last 7 days : 160
Users Last 30 days : 511
Users This Month : 511
Users This Year : 511প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী Phone: 880 1760275449
