সিলেট [english_date] | [bangla_date] | [hijri_date]
প্রকাশিত: 5:59 PM, January 11, 2024
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারত বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু। তবে গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে চীনের অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করায় চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনে জয়ের পরই তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন। ওই সাক্ষাতকারে তিনি ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়েও কথা বলেন।
আব্দুল মোমেন: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অধিক সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া এ নির্বাচনে কোনো ধরনের সহিংসতা হয়নি। বিরোধী দলসহ অন্যান্য দলগুলো এ নির্বাচন বয়কট করলেও মানুষ বিপুল উৎসাহে ভোট দিয়েছেন। কারণ ভোট প্রদান মানুষের সাংবিধানিক অধিকার এবং ভোটের মাধ্যমেই সরকার পরিবর্তনের একমাত্র উপায়।
নির্বাচনে আগে কিছু সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে আমরা আমাদের পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখবে। কারণ বর্তমানে সব ঘটনায়ই সিসিটিভিতে রেকর্ড হচ্ছে। সুতরাং কারা অপরাধী তাদের সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব। রাজনীতিতে সহিংসতা এবং সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান নেই।
আব্দুল মোমেন: বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত। এ নির্বাচনে ১২ কোটি মানুষ ভোট প্রদান করেছে। সুতরাং নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। বাংলাদেশ এবং বিশ্বে আওয়ামী লীগই গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। কারণ গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানুষ ভোট দিয়েছে।
আব্দুল মোমেন: ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো খাদ নেই। আমাদের সম্পর্ক অটুটু। বাংলাদেশের জন্ম থেকেই ভারত আমাদের বন্ধু। কারণ স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারত আমাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়েছে। স্বাধীনতার জন্য আমাদের মতো ভারতও রক্ত ঝরিয়েছে। এছাড়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্পর্ক অতুলনীয়। মোদি এ সম্পর্ককে স্বর্ণালী সময় বলে মন্তব্য করেছেন। আমরা এ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চাই।
আব্দুল মোমেন: আপনার ধারণা ভুল। বাংলাদেশ চীনের প্রভাবে প্রভাবিত হচ্ছে না। চীন আমাদের উন্নয়ন সহযোগী। তারা শুধু আমাদের কিছু প্রজেক্টে সহযোগিতা করছে। চীন থেকে আমরা যা পেয়েছি তা আমাদের জিডিপির ১ শতাংশের কম। সুতরাং এটা বলার মতো কোনো ঘটনা নয়।
বাংলাদেশ চীনের দিকে ঝুঁকছে এটা একটা প্রোপাগান্ডা। কারণ একটা দেশে যখন ৫৫ শতাংশের বেশি বৈদেশিক ঋণ থাকে তখন সেটা অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা যায়। কিন্তু বাংলাদেশে ১৩.৬ শতাংশ বৈদেশিক ঋণ রয়েছে। সুতরাং ভারত যে বিষয় নিয়ে ভয় পাচ্ছে তা সত্যি নয়। চীন শুধু আমাদের উন্নয়নের অংশীদার। আমরা যে কারো বিনিয়োগ গ্রহণে অত্যন্ত সতর্ক। তাই বাংলাদেশে চীনের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে এ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
R/N
Administrative Contact:
Name: Fatama Akter Shiuly
Address: Sheikhghat Sylhet.
Postal Code: 3100
Email: siuliakter571@gmail.com
Phone: 880 1760275449
প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী
Users Today : 3
Users Yesterday : 23
Users Last 7 days : 136
Users Last 30 days : 389
Users This Month : 389
Users This Year : 389প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী Phone: 880 1760275449
