সিলেট [english_date] | [bangla_date] | [hijri_date]
প্রকাশিত: 11:41 AM, October 8, 2023
জাতীয় ডেস্ক:
একের পর এক পুরোনো মামলায় আটক করা হচ্ছে বিএনপি নেতাদের। উচ্চ আদালত থেকে ‘নো অ্যারেস্ট, নো হ্যারেজ’ নির্দেশনা থাকার পরও প্রতিকার মিলছে না বেশির ভাগ নেতার। পুরোনো মামলায় ‘অজ্ঞাত’ আসামি হিসেবে তাদের জেলগেট থেকে আটক কিংবা জামিন পাওয়ার পরই নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে তাদের কারাজীবনকে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ দলটির। আইনজীরীরা বলছেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও মানছেন না নিম্ন আদালত।
বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, সক্রিয় নেতাদের টার্গেট করে একের পর এক পুরোনো মামলায় আটক দেখিয়ে চরমভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ রবিউল আলম রবি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নীরব, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না, সাবেক সহসভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর, যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন-সহ আরও অনেকে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যেভাবেই হোক সরকার বিরোধী দলকে মাঠ থেকে সরিয়ে দিয়ে আবার ক্ষমতায় থাকতে চায়। এটাই একমাত্র লক্ষ্য। তাই নির্বাচনের আগে সরকার মাঠ খালি করার মিশন নিয়ে নেমেছে। অবৈধ সরকারের নির্দেশে পুলিশ এসব করছে। বিচার বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্যান্য বাহিনী একইভাবে কাজ করছে। বিচারপতিদের বলা হচ্ছে, দ্রুত সাজার রায় দিতে। এটা আওয়ামী লীগের পুরোনো খেলা।
আইনজীবীরা জানান, কারাগারে আটক নেতাকর্মীরা এক মামলায় জামিন পেলে পুরোনো আরেকটিতে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। যেমন কোনো মামলায় এজাহারে নাম না থাকলে নতুন কোনো মামলায় রফিকুল আলম মজনুকে গ্রেপ্তার না করতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু গত ২১ মে ঢাকা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আটক করে। গত বছরের ডিসেম্বরে পল্টন থানার একটি মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওই মামলায় এজাহারে মজনুর নাম ছিল না।
গত ৮ মার্চ মোনায়েম মুন্নাকে আটক করে পুলিশ। পরে গত বছরের নভেম্বর মাসে শাহজাহানপুর থানার একটি মামলায় তাকে আটক দেখানো হয়। এ মামলার এজাহারে তার নাম ছিল না। অজ্ঞাতপরিচয় আসামির তালিকায় তাকে কারাগারে নেয়া হয়। এ মামলায় তিনি জামিন পাওয়ার পর একের পর এক ৯টি পুরোনো মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে রাখা হচ্ছে। এক মামলা থেকে জামিন পেলে আরেক মামলায় আটক দেখানো হচ্ছে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীনকে আটক করা হয়। তাকেও এ পর্যন্ত ১১টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাদেরকে নতুন কোনো মামলায় আটক না করতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার পরও পুরোনো মামলায় আটক করা হচ্ছে।
মুন্না ও শাহীনের আইনজীবী নীহার হোসেন ফারুক জানান, একসঙ্গে সব পেন্ডিং মামলায় আটক দেখানো হলে তাদের জন্য আইনি লড়াই সহজ হতো। কিন্তু একটি মামলা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে জামিন করার দিনই নতুন আরেকটি মামলায় আটক করা হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের নির্দেশনাও মানা হচ্ছে না।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, বিএনপিকে চাপে রাখতে গায়েবি ও পেন্ডিং মামলার ঝড় তুলেছে সরকার। ২০১৮ সালের মতো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এবার বিচার বিভাগকে দিয়ে পুরোনো খেলা শুরু করেছে। সারাদেশে বিএনপি নেতাকর্মীর নামে গায়েবি মামলার হিড়িক পড়েছে। বিনা পরোয়ানায় শত শত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
R/N
Administrative Contact:
Name: Fatama Akter Shiuly
Address: Sheikhghat Sylhet.
Postal Code: 3100
Email: siuliakter571@gmail.com
Phone: 880 1760275449
প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী
Users Today : 0
Users Yesterday : 11
Users Last 7 days : 116
Users Last 30 days : 590
Users This Month : 590
Users This Year : 590প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী Phone: 880 1760275449
