, ,

গর্ভে সন্তান এলে কত ঘর ভেঙে ষায় তেমনি হলো নায়িকা ★রন্জিতা ★

নোভা মিডিয়া সিলেট
প্রকাশিত April 9, 2022, 08:22 PM
গর্ভে সন্তান এলে কত ঘর ভেঙে ষায় তেমনি হলো নায়িকা ★রন্জিতা ★

চলচ্চিত্রের পর্দায় বিভিন্ন ঘটনা বা গল্প দেখে মুগ্ধ হন সিনেমাপ্রেমীরা।

বিনোদন ডেস্ক:

চলচ্চিত্রের পর্দায় বিভিন্ন ঘটনা বা গল্প দেখে মুগ্ধ হন সিনেমার প্রেমীকরা। কখনও সেগুলো মধুর, আবার কখনও সেগুলো হয়ে ওঠে বিষাদময়। তবে পর্দার পেছনেও থাকে নানান ঘটনা। তাকে জেদ করে বিয়ে করেছিলেন ফাইট ডিরেক্টর ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম। তেমনি একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন নব্বইয়ের দশকের আলোচিত চিত্রনায়িকা রঞ্জিতা।

তিনি জানান, থাকে জেদ করে বিয়ে করেন ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম। এরপর গর্ভে সন্তান এলে থাকে ডির্ভোস দেওয়া হয়।
খুবই বেদনাবিধুর এবং একইসঙ্গে চাঞ্চল্যকর এমন তথ্যে যে কেউ চমকে উঠবেন। ভাববেন- জীবনের গল্প সিনেমাকেও হার মানায়। কিন্তু কী এমন ঘটেছিল দুজনের মধ্যে?
তখন বাংলা সিনেমায় মার্শাল আর্টের জোয়ার বইছে। ঘটনাক্রমে একটি সিনেমার ফাইট ডিরেক্টর হিসেবে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমকে বাদ দেওয়া হয়।

সেই সিনেমার নায়িকা ছিলেন রঞ্জিতা। গুঞ্জন শোনা যায়- এর পেছনে রঞ্জিতার হাত রয়েছে। আর এতেই বাধে বিপত্তি!
এ প্রসঙ্গে রঞ্জিতা বলেন, ‘ওই সিনেমার শুটিং এফডিসির ৩নং ফ্লোরে হচ্ছিল।

আমি মেকআপ রুমে ছিলাম। হঠাৎ সেখানে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম এলেন। থাকে দেখেই বুঝেছিলাম খুব রেগে আছেন!
তিনি এসেই আমাকে উদ্দেশ্য করে বললেন- কোন নায়িকার জন্য আমাকে ফাইট ডিরেক্টর থেকে বাদ দেওয়া হলো?
মেকআপ রুমে সেদিন নায়ক রুবেলও ছিলেন। রুবেল তখন বললেন, ওস্তাদ প্লিজ মেকআপটা শেষ করতে দেন। শুটিং রানিং। কিন্তু তাতেও তিনি নরম হচ্ছিলেন না।

তখন আমি বলি- হু আর ইউ? আর এতেই তিনি চরম ক্ষিপ্ত হলেন। আমাকে গালি দিয়ে বলেন, এই মেয়ে আমার সঙ্গে ইংলিশ বলে! যাই হোক, সেদিন যাওয়ার আগে তিনি বলে যান- রুবেল, আমি এই মেয়েকে একদিনে বিয়ে করবো।’ এটাই ছিল ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমের জেদ। আর সেই জেদ তিনি পূরণ করেন রঞ্জিতাকে বিয়ে করে।

রঞ্জিতার ভাষায়, এরপর আমি যখন প্রেগনেন্ট হলাম। তার চার মাস পর আমার বাবা-মাকে তিনি সাফ বলে দেন আমার জেদ ছিল বিয়ে করা; করেছি। এখন আপনাদের মেয়েকে নিয়ে যেতে পারেন। এরপরই আমার ডিভোর্স হয়।

‘মরণ লড়াই’ সিনেমার মধ্য দিয়ে ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে রঞ্জিতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু এই প্রেমের পেছনে যে উদ্দেশ্য কাজ করছে বুঝতে পারেননি রঞ্জিতা। তার দাবি, তিনি প্রতারিত হয়েছেন।

আশির দশকের শেষ দিকে ১৯৮৭ সালে চলচ্চিত্রে আসেন রঞ্জিতা। তার বাবা ছিলেন নায়করাজের বন্ধু। ‘ঢাকা-৮৬’সিনেমায় ‘পাথরের পৃথিবীতে কাচের হৃদয়’ গানটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। রাজ্জাক পরিচালিত এ সিনেমায় অভিনয় করে রঞ্জিতা আলোচনায় আসেন। বাপ্পারাজের বিপরীতে অভিনয় করেন।

এরপর ২৯টি সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র প্রযোজনাও করেছেন। রঞ্জিতার চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার রঙিন হলেও এখন তিনি ভালো নেই। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া একমাত্র ছেলেকে নিয়ে ভাইসহ থাকেন বনশ্রীতে ভাড়া বাসায়। ২০০৫ সালে সর্বশেষ তাকে পর্দায় দেখা গেছে।