, ,

ড্রোন রপ্তানিতে চীনের বিধিনিষেধ, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র

Rahat
প্রকাশিত July 31, 2023, 03:28 PM
ড্রোন রপ্তানিতে চীনের বিধিনিষেধ, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র

A Royal Air Force Reaper UAV (Unmanned Aerial Vehicle) from 39 Squadron, makes its approach to Kandahar Airfield, Afghanistan following a mission. The aircraft, armed with Paveway bombs and Hellfire missiles, is remotely controlled from Kandahar for takeoff and landing and by British troops in Nevada, USA during the actual sortie.

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জাতীয় নিরাপত্তা ও নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে ড্রোন এবং ড্রোন-সম্পর্কিত সরঞ্জাম রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে চীন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দেশটির ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে এলো এমন ঘোষণা।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে ড্রোন ইঞ্জিন, লেজার, কমিউনিকেশন ইকুইপমেন্ট এবং অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেমসহ বেশ কিছু যন্ত্রপাতি রপ্তানির ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ কার্যকর হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, এ সিদ্ধান্ত ভোক্তা পর্যায়েও প্রভাব ফেলবে। এছাড়া সামরিক উদ্দেশ্যে কোনো বেসামরিক ড্রোন রপ্তানি করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ড্রোন নিয়ন্ত্রণের এই সিদ্ধান্ত একটি দায়িত্বশীল প্রধান দেশ হিসেবে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। যা বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

চীনের একটি বৃহৎ ড্রোন উত্পাদন শিল্প রয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এসব ড্রোন রপ্তানি করা হয়। এর ফলে বিপাকে পড়তে পারে যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশ।

মার্কিন আইন প্রণেতারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া ড্রোনগুলোর ৫০ শতাংশেরও বেশি চীনাভিত্তিক কোম্পানি ডিজেআই -এর তৈরি এবং মার্কিন জননিরাপত্তা সংস্থাগুলোতে ব্যাবহারের ক্ষেত্রে এসব ড্রোন ব্যাপক জনপ্রিয়।

সংস্থাটি বলছে, আমরা কখনোই সামরিক কাজে ব্যবহারের জন্য পণ্য বা সরঞ্জাম তৈরি করিনি। আমরা কখনোই কোনো দেশে সামরিক সংঘাত বা যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য আমাদের পণ্য বাজারজাত বা বিক্রি করিনি।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি বছরের এপ্রিলে বলেছিল, ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে চীন ড্রোন পাঠাচ্ছে, মার্কিন এবং পশ্চিমা মিডিয়ার এমন অভিযোগ “ভিত্তিহীন”।

এর আগে ২০২২ সালের মার্চ মাসে একটি জার্মান সংস্থা অভিযোগ করেছিল যে, ডিজেআই রাশিয়ার কাছে ইউক্রেনের সামরিক অবস্থানের তথ্য ফাঁস করেছে।

সে সময় চীনা কোম্পানিটি এ তথ্যকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে প্রত্যাখ্যান করেছিল।

R/N