জাতীয় ডেস্ক :
শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং মানি লন্ডারিং মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে নোবেল বিজয়ী ও বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তি খোলা চিঠি দিয়েছেন। তবে এ ধরনের খোলা চিঠি লাখো শহীদের ত্যাগে অর্জিত দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত বলে মনে করছেন ১৯৮ জন বিশিষ্ট আমেরিকান-বাংলাদেশি।
রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে তারা একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে শিক্ষক, প্রকৌশলী, লেখক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশায় নেতৃত্বদানকারী আমেরিকান-বাংলাদেশিরা স্বাক্ষর করেছেন।
এতে তারা উল্লেখ করেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যথাযথভাবে না বুঝেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর খোলা চিঠি দেয়া হয়েছে। বিবৃতিদানকারী আমেরিকান-বাংলাদেশিরা মনে করেন এই খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা ইউনূসের প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
বিবৃতি আরও উল্লেখ করা হয়, নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মানি লন্ডারিং, কর ফাঁকি, শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছে। মামলাটি এখনও বিচারাধীন, কোনো রায় হয়নি। অন্যদিকে খোলা চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের পক্ষে। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো তারা ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলার যোগ্যতা বিবেচনা না করেই নিজেদের সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।
বিবৃতিদাতাদের দাবি, বহু বছর ধরে ডা. ইউনূসের অসদাচরণ আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। জনসংযোগ এবং প্রচারের কৌশল ব্যবহার করে ডা. ইউনূসের প্রতারণার শিল্প সম্পর্কেও আমরা সচেতন। যাইহোক, আমরা, মার্কিন নাগরিক হিসেবে এ সম্পর্কে কোনো অভিযোগ করিনি। তবে আমরা বিশ্বাস করি চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা ড. ইউনূসের প্রতারণার শিকার হয়ে থাকতে পারেন।
ইউনূসের বিচার ইস্যুতে সীমাবদ্ধ না থেকে খোলা চিঠি দেয়া বিশিষ্টজনরা বাংলাদেশের নির্বাচন ও বিভিন্ন আভ্যন্তরীণ ইস্যুতেও কথা বলেছেন উল্লেখ করে বিবৃতিদাতারা বলেন, বাংলাদেশিদের প্রতি সম্মান রেখে আমরা আপনাদের খোলা চিঠি প্রত্যাহারের আহ্বান জানাই।
R/N