স্বাস্থ্য ডেস্ক:
মানুষের শরীরে গলব্লাডার হলো পিত্তথলি বা পিত্তকোষ। পরিপাকতন্ত্রের একটি নাশপাতি আকৃতির ফাঁপা অঙ্গ যা লিভারের ডান দিকে থাকে। পিত্তথলি থেকে নিঃসৃত পিত্তরস খাবার হজমে সাহায্য করে। রক্তে কোলেস্টেরল বাড়লে বা বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে পিত্তরস ক্ষরণে বাধা পরে। তখন সেই পিত্তরস পিত্তথলিতে জমে পাথর তৈরি করে। পিত্তথলিতে পাথর বহু মানুষের হয়ে থাকে। সাধারণত চলিশোর্ধ্ব মানুষের এই রোগ বেশি দেখা দেয়। বেশ কিছু কারণে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে। ডায়াবেটিস থাকলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। আর ডায়াবেটিস রোগীর শরীরে এ রোগ বাসা বাধলে বিপদ হতে পারে। বুধবার (৩ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই রোগের উপসর্গগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেনে বলা হয়, সময়ের অভাবে অনেক রোগের উপসর্গ দেখেও আমরা অবহেলা করি। তার মধ্যে রয়েছে গল ব্লাডারে স্টোনের সমস্যাও। এই রোগের মূল উপসর্গ পেটে ব্যথা। নিয়মিত পেটে ব্যথাই জানান দেয় যে, পিত্তথলিতে পাথর জমেছে। দীর্ঘ ক্ষণ খালিপেটে থাকলে গল ব্লাডারে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। ওজন বেড়ে গেলে পিত্তথলির উপর চাপ পড়ে। তার জেরেও অনেক সময় পিত্তথলিতে পাথর জমে।
যেসব উপসর্গ দেখে সতর্ক হবেন?
১) পিত্তাশয়ে পাথর হলে মাংস বা তেল-মশলাদার খাবার খেলেই পেটে তীব্র যন্ত্রণা হয়। সঙ্গে অনেকের আবার বমিও হয়ে থাকে।
২) এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মাঝেমাঝেই রোগীর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। এছাড়া এই জ্বরের সঙ্গে পেটে ব্যথাও হতে পারে।
৪) প্রস্রাবের রং দেখেও সতর্ক হতে পারেন। গাঢ় খয়েরি রঙের প্রস্রাব পিত্তথলিতে পাথর জমার ইঙ্গিত হতে পারে।
৩) পিত্তথলিতে পাথর জমার মূল লক্ষণ, পেটের ডান দিক থেকে ব্যথা শুরু হয়ে ডান কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছনো। এ রকম হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৫) গল ব্লাডারে পাথর জমলে অনেকেই জন্ডিসের মতো রোগে আক্রান্ত হন। জন্ডিস হলেও সতর্ক থাকতে হবে।
R/N