সিলেট [english_date] | [bangla_date] | [hijri_date]
প্রকাশিত: 1:07 PM, June 17, 2026
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, আমাদের দেশে প্রচুর জনশক্তি রয়েছে। কিন্তু এই জনশক্তিকে যথাযথভাবে কর্মশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব হয়নি। এখন সময় এসেছে কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার ওপর অধিক গুরুত্ব দেওয়ার। মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করবে, আর অন্য শিক্ষার্থীদের দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা দিতে হবে, যাতে তারা দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন কারিগরি পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
গতকাল মঙ্গলবার দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজে আয়োজিত ‘দক্ষতা, প্রযুক্তিনির্ভর ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান সালমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে এবং সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সৈয়দা মোমেনা বেগম লিমু ও পরিসংখ্যান বিভাগের প্রভাষক নাফিস সাকিনার যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিসিকের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, বর্তমান জনবান্ধব সরকার সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী। সরকারপ্রধান ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত মানুষের খোঁজখবর রাখেন। তাঁর নেতৃত্বে দেশের চাহিদা অনুযায়ী একটি আধুনিক ও জনমুখী শিক্ষানীতি বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক সমাজের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
দক্ষিণ সুরমা সরকারি কলেজের উন্নয়নের বিষয়ে সিসিক প্রশাসক বলেন, খ্যাতি ও গুরুত্বের দিক থেকে যেমন সিলেট দেশজুড়ে সমাদৃত, তেমনি দক্ষিণ সুরমাও পুরো সিলেট অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। দক্ষিণ সুরমাকে সিলেটের প্রবেশদ্বার বলা হয়। আর প্রবেশদ্বারকে অবহেলা করে নগরের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই এই কলেজের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
তিনি কলেজে একটি দৃষ্টিনন্দন প্রবেশদ্বার এবং নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতি দেওয়ার চেয়ে বাস্তবায়নে বিশ্বাসী। খুব শিগগিরই এই কলেজের উন্নয়নকাজ শুরু হবে।”
শিক্ষাক্ষেত্রে সিলেটের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, চল্লিশ ও পঞ্চাশের দশকে আসাম-বেঙ্গল অঞ্চলে মাত্র দুটি সরকারি কলেজ ছিল—একটি এমসি কলেজ, অন্যটি আসামের কটন কলেজ। সে সময় উচ্চমানের শিক্ষার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এমসি কলেজে পড়তে আসত। কিন্তু পরবর্তীকালে আমরা সেই মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারিনি।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষাবিদ জিসি দেব, অধ্যাপক সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম এবং অধ্যাপক নাজমা চৌধুরীর মতো কৃতী ব্যক্তিত্ব সিলেটের গর্ব। তবে শিক্ষার ক্ষেত্রে সেই ঐতিহ্য ও উৎকর্ষ আমরা ধরে রাখতে পারিনি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষার মান উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
সভায় আরও বক্তব্য দেন কলেজের অধ্যক্ষ ইফতেখার আলম, একাডেমিক কাউন্সিলের সম্পাদক মতিউর রহমান এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মো. ময়নুল হক। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন আব্দুল বাসিত, জামিউল হাসান ও রেদোয়ান হাসান লাবিব। মানপত্র পাঠ করেন সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পলি সমাজপতি।
এ সময় সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ময়নুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের প্রধান রাহেনা হক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান আতাউর রহমান, বাংলা বিভাগের প্রধান পলাশ রঞ্জন দাস, ইংরেজি বিভাগের প্রধান সুভাষ চন্দ্র সাহা, প্রভাষক কাজরী রানী ধর, মোহাম্মদ আমিনুর রহমান, খালেদ আহমদ, কানিজ ফাতেমা, শফিকুল ইসলাম, নুরজাহান খাতুন, রেজওয়ানা তসনিম, মুহিবুর রহমানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
Administrative Contact:
Name: Fatama Akter Shiuly
Address: Sheikhghat Sylhet.
Postal Code: 3100
Email: siuliakter571@gmail.com
Phone: 880 1760275449
প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী
Users Today : 27
Users Yesterday : 23
Users Last 7 days : 143
Users Last 30 days : 413
Users This Month : 413
Users This Year : 413প্রধান সম্পাদক: ফাতেমা আক্তার শিউলী Phone: 880 1760275449
