বিনোদন ডেস্ক
মারা গেলেন জনপ্রিয় আইরিশ সংগীতশিল্পী এবং অ্যাক্টিভিস্ট সিনিড ও’কনর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। গায়িকার পরিবারের বরাত মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ এখনো প্রকাশ্যে আনা হয়নি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনিড ও’কনরের পরিবার খুবই দুঃখের সঙ্গে গায়িকার মৃত্যুর খবর ঘোষণা করেছেন। তার মৃত্যুতে পরিবারের সদস্য এবং বন্ধুরা বিধ্বস্ত বলে জানানো হয়েছে ঘোষণায়।
সিনিড ও’কনরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন আইরিশ প্রধানমন্ত্রী লিও ভারাদকার। তিনি বলেন, সিনিড ও’কনরের গান বিশ্ববাসীর প্রিয় ছিল এবং তার প্রতিভা ছিল অতুলনীয়।
এছাড়া দেশটির প্রেসিডেন্ট মাইকেল ডি হিগিন্স শোক প্রকাশ করে গায়িকার সুন্দর ও অনন্য কণ্ঠস্বরের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, আয়ারল্যান্ড এত অল্প সময়ে যা হারিয়েছে তা হলো আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে প্রতিভাধর সুরকার, গীতিকার ও সাম্প্রতিক দশকের পারফরমারদের একজন। যিনি শ্রোতাদের জন্য অনন্য প্রতিভা এবং অসাধারণ আকর্ষণ রেখেছেন।
এদিকে অন্য একটি প্রতিবেদনে জানা যায়, ২০১৮ সালে এ গায়িকা ঘোষণা করেন—ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন তিনি। জানিয়েছিলেন, নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম রেখেছেন শুহাদা। সেই সময় টুইটারে এক বার্তায় তাকে মুসলমান হতে সাহায্য করার জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছিলেন এ গায়িকা।
সিনিড ও’কনর আরও জানিয়েছিলেন, তার ধর্ম পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্ত যেকোনো বুদ্ধিমান ধর্মতত্ববিদের সফরের স্বাভাবিক পরিণতি মাত্র। সব ধর্মশাস্ত্রের অধ্যয়ন শেষ পর্যন্ত ইসলামের দিকেই ধাবিত হয়। এ গায়িকা আরও বলেছিলেন, আমি একজন মুসলমান হতে পেরে গর্বিত।
১৯৯০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘নাথিং কমপেয়ার্স টু ইউ’ গানটির জন্য বিশ্বজুড়ে সর্বাধিক পরিচিতি লাভ করেন সিনিড ও’কনর। ওই বছরের হিট গানের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছিল গানটি।
১৯৬৬ সালের ডিসেম্বরে কাউন্টি ডাবলিনের গ্লেনাগারিতে সাইনাড মেরি বার্নাডেট জন্মগ্রহণ করেন সিনিড ও’কনর। গার শৈশব খুবই কঠিন ছিল। কিশোর বয়সে ডাবলিনের অ্যান গ্রিয়ানান ট্রেনিং সেন্টারে রাখা হয়েছিল তাকে। যা একসময় কুখ্যাত ম্যাগডালিন লন্ড্রিগুলোর একটি ছিল। যা মূলত অল্পবয়সী মেয়েদের বন্দী রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
সিনিড ও’কনরকে একজন সন্ন্যাসী গিটার কিনে দিয়েছিলেন এবং একজন সংগীত শিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করিয়ে দেন ওই সন্ন্যানী। সেখান থেকে সংগীত ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়া শুরু হয় তার
R/N